1. admin@shopneralo.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে সেন্ট্রাল লিকুইড অক্সিজেন প্লান্টের উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেন বিএমএসএফ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ নিবন্ধন ছারা নৌযান চলতে পারবে না-ইউএনও এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর নিকট ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রগতিশীল জোটের স্মারকলিপি প্রদান বিজয়নগরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন ইউএনও এএইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ কুমিল্লা-৭ উপনির্বাচন: নৌকার মনোয়ন পেলেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বিজয়নগর নৌকা দুর্ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেন সাংসদ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বিজয়নগর উপজেলার সকলকে নিজের আপন মানুষ ভেবে কাজ করেছি ফুলেল শুভেচ্ছায় বিদায়ী জানান বিজয়নগর উপজেলা ১০ ইউনিয়ন পরিষদের সচিবরা

ডিবি পরিচয়ে অপহরণ চেষ্টাকালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিসহ গেপ্তার-৭

সরাইল প্রতিনিধি
  • সময় : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ৬০ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিজেদেরকে ডিবি পরিচয় দিয়ে অপহরণ চেষ্টাকালে ৭ যুবককে আটক করে গ্রামবাসী। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেন সরাইল থানার পুলিশ।

গত বুধবার(২১জুলাই)দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার শাহবাজপুর রাজাবাড়িয়াকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- পুলিশের তালিকাভুক্ত মোস্তফা আহমেদ ফয়সাল (৩৮), বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ও চান্দুরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি – আশিকুর রহমান আশিক(৩১),উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক শাহ নেওয়াজ খান মিলন (৩০) সালমান (২৮), শেকুল মিয়া (৩৬), মো. শাহাব উদ্দিন (২০), ও আশকর আলী (৪৩)।

আজ শুক্রবার(২৩জুলাই)তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। মামলার ৩ নম্বর আসামি শেকুলের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৩২) বাদী হয়ে একটি চুরির মামলা করেছেন।

পুলিশ, মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বিজয়নগর উপজেলার আবদুল্লাহপুর গ্রামের হোসাইন আহমেদের ছেলে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোস্তফা আহমেদ ফয়সাল (৩৮)। অপহরণ চুরি ছিনতাই ও ডাকাতিই তার মূল পেশা। তার বিরূদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় রয়েছে ৩ ডজন মামলা। গত ১৫ জুলাই কিবজয়নগর উপজেলার হাজীপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে শেকুল মিয়ার (৩৬) ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চুরি করে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফয়সাল।

ওই অটোরিকশাটি ফয়সাল ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করে শাহবাজপুর রাজাবাড়িয়াকান্দির লুদু মিয়ার ছেলে নাজির মিয়া ও নাছির মিয়ার কাছে। হোসেন মিয়ার ছেলে আরমান মিয়ার মাধ্যমে অটোরিকশাটি এফিডেভিট করে দেন। এফিডেভিটসহ বিক্রয়ের সময়ের সকল কর্মকান্ড ভিডিও করে রাখে ফয়সাল। গত ২১ জুলাই বুধবার গভীর রাতে ফয়সালের নেতৃত্বে প্রাইভেটকার ও মটর বাইকে করে ৭ যুবক আসে নাজিরের বাড়ি রাজাবাড়িয়াকান্দি গ্রামে।

তারা নিজেদেরকে ডিবি অফিসার পরিচয় দিয়ে চুরি হওয়া ওই অটোরিকশাটি দিয়ে দিতে বলেন। নতুবা নাজির নাছির সহ বাড়ির লোকজনকে অপহরণ করার হুমকি দেয়। আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েন ওই পরিবারের সকল সদস্যরা। কৌশল করেন নাছির। অটোরিকশাটি এনে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নাছির তার আত্মীয় স্বজনকে মুঠোফোনে সব জানিয়ে দেন।

স্বজনসহ গ্রামবাসী এসে তাদেরকে চারিদিকে ঘিরে ফেলে। পরে তাদেরকে ঘরে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাতেই তাদের বিরূদ্ধে অপহরণ মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে আশিকুর রহমান আশিক বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি- এবং শাহ নেওয়াজ খান মিলন উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক।এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম. মাহবুব হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সতত্যা নিশ্চিত করেন।

ওদিকেনিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিজেদেরকে ডিবি পরিচয় দিয়ে অপহরণ চেষ্টাকালে ৭ যুবককে আটক করে গ্রামবাসী। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেন সরাইল থানার পুলিশ।

গত বুধবার(২১জুলাই)দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার শাহবাজপুর রাজাবাড়িয়াকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- পুলিশের তালিকাভুক্ত মোস্তফা আহমেদ ফয়সাল (৩৮), বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি- আশিকুর রহমান আশিক(৩১),উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক শাহ নেওয়াজ খান মিলন (৩০) সালমান (২৮), শেকুল মিয়া (৩৬), মো. শাহাব উদ্দিন (২০), ও আশকর আলী (৪৩)।

আজ শুক্রবার(২৩জুলাই)তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। মামলার ৩ নম্বর আসামি শেকুলের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৩২) বাদী হয়ে একটি চুরির মামলা করেছেন।

পুলিশ, মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বিজয়নগর উপজেলার আবদুল্লাহপুর গ্রামের হোসাইন আহমেদের ছেলে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোস্তফা আহমেদ ফয়সাল (৩৮)। অপহরণ চুরি ছিনতাই ও ডাকাতিই তার মূল পেশা। তার বিরূদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় রয়েছে ৩ ডজন মামলা। গত ১৫ জুলাই কিবজয়নগর উপজেলার হাজীপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে শেকুল মিয়ার (৩৬) ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চুরি করে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফয়সাল।

ওই অটোরিকশাটি ফয়সাল ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করে শাহবাজপুর রাজাবাড়িয়াকান্দির লুদু মিয়ার ছেলে নাজির মিয়া ও নাছির মিয়ার কাছে। হোসেন মিয়ার ছেলে আরমান মিয়ার মাধ্যমে অটোরিকশাটি এফিডেভিট করে দেন। এফিডেভিটসহ বিক্রয়ের সময়ের সকল কর্মকান্ড ভিডিও করে রাখে ফয়সাল। গত ২১ জুলাই বুধবার গভীর রাতে ফয়সালের নেতৃত্বে প্রাইভেটকার ও মটর বাইকে করে ৭ যুবক আসে নাজিরের বাড়ি রাজাবাড়িয়াকান্দি গ্রামে।

তারা নিজেদেরকে ডিবি অফিসার পরিচয় দিয়ে চুরি হওয়া ওই অটোরিকশাটি দিয়ে দিতে বলেন। নতুবা নাজির নাছির সহ বাড়ির লোকজনকে অপহরণ করার হুমকি দেয়। আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েন ওই পরিবারের সকল সদস্যরা। কৌশল করেন নাছির। অটোরিকশাটি এনে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নাছির তার আত্মীয় স্বজনকে মুঠোফোনে সব জানিয়ে দেন।

স্বজনসহ গ্রামবাসী এসে তাদেরকে চারিদিকে ঘিরে ফেলে। পরে তাদেরকে ঘরে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাতেই তাদের বিরূদ্ধে অপহরণ মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে আশিকুর রহমান আশিক বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও চান্দুরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি  এবং শাহ নেওয়াজ খান মিলন উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক।এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম. মাহবুব হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সতত্যা নিশ্চিত করেন।

ওদিকে অটোরিকশাটির মূল মালিক শেকুল মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে ফয়সালকে প্রধান আসামী করে একটি চুরির মামলা করেছেন। মামলার অন্য আসামীরা হলো- নাজির মিয়া ও নাছির মিয়া।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসলাম হোসেন ও অপহরণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফয়সাল বড় মাপের করাপটেড। তার বিরূদ্ধে চুরি ছিনতাই ডাকাতির এ পর্যন্ত ১৮টি মামলা রয়েছে। গত(১৮ মার্চ)সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের টান মনিপুর নির্মাণাধীন ব্রিজের নিচ থেকে ব্যাটারি চালিত চোরাই দুইটি অটো রিকশাসহ ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে বিজয়নগর থানার পুলিশ। এ ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল। অন্যরা সহযোগি। অটোরিকশাটির মূল মালিক শেকুল মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে ফয়সালকে প্রধান আসামী করে একটি চুরির মামলা করেছেন। মামলার অন্য আসামীরা হলো- নাজির মিয়া ও নাছির মিয়া।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসলাম হোসেন ও অপহরণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফয়সাল বড় মাপের করাপটেড। তার বিরূদ্ধে চুরি ছিনতাই ডাকাতির এ পর্যন্ত ১৮টি মামলা রয়েছে। গত(১৮ মার্চ)সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের টান মনিপুর নির্মাণাধীন ব্রিজের নিচ থেকে ব্যাটারি চালিত চোরাই দুইটি অটো রিকশাসহ ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে বিজয়নগর থানার পুলিশ। এ ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল। অন্যরা সহযোগি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব  সংরক্ষিত © ২০২০ স্বপ্নের আলো
Theme Customized BY Theme Park BD